$type=slider$snippet=hide$cate=0
STAFF PICK$type=sticky$count=4$cate=1
BUSINESS$type=complex$count=4
TRAVEL$type=carousel
TECH$type=three$author=hide$comment=hide$rm=hide
FASHION$type=two$h=0$meta=0$rm=0$snip=0
BY READERS$type=blogging$cate=2$count=4
ARCHITECT$type=one$count=3
POLITICS$type=left$va=0$count=3
SCIENCE$type=right$va=0$count=3
Archive Pages Design$type=blogging$count=7
Tuesday, May 31, 2016
ধূমপান ছাড়তে দারুচিনি!
তামাক গ্রহণ শরীরের জন্য ক্ষতিকর, এ কথা সবারই জানা। শরীরের এমন কোনো অংশ নেই যেখানে তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে না। ধূমপান ছেড়ে দিতে চাইলেও অনেকে ছাড়তে পারেন না। এটি নেশায় পরিণত হয়ে যায়।
তবে কিছু ভেষজ রয়েছে যেগুলো ধূমপান ছাড়তে বা তামাক ছাড়তে সাহায্য করতে পারে আপনাকে। জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগে জানানো হয়েছে এ রকম কিছু ভেষজের কথা।
দারুচিনি
দারুচিনি ধূমপানের আসক্তি থেকে মুক্ত রাখতে সাহায্য করে। যখন ধূমপান বা অন্যান্য তামাক গ্রহণের নেশা জাগে, এক টুকরো দারুচিনি নিন। একে চিবাতে শুরু করুন। এটা ধূমপানে বিরত রাখতে সাহায্য করবে।
ত্রিফলা
ত্রিফলা শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করার জন্য পরিচিত। এটি ধূমপান ছাড়তে সাহায্য করে। প্রতিদিন রাতে এক টেবিল চামচ ত্রিফলা খাওয়া ধূমপান কমাতে উপকারী।
পুদিনা পাতা
পুদিনা পাতা চিবানোও তামাক গ্রহণ কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে ও রাতে দুই থেকে তিনটি পুদিনা পাতা চিবান।
আদা, আমলকী, হলুদ
আদা, আমলকী ও হলুদ একত্রে মিশিয়ে ছোট ছোট বল তৈরি করে খেতে পারেন। এক মাস এটি খাওয়া তামাক গ্রহণের প্রতি আগ্রহ কমাতে কাজ করবে।
অশ্বগন্ধা
অশ্বগন্ধা শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে বেশ কার্যকর। এটি উদ্বেগ দূর করতে সাহায্য করে এবং তামাকের প্রতি আসক্তি কমায়। ৪৫০ মিলিগ্রাম থেকে ২ গ্রাম অশ্বগন্ধার শেকড়ের গুঁড়ো খাওয়া ভালো ফলাফল দেবে।
মাথার তালুর চুলকানি দূর করবেন কীভাবে?
অনলাইন ডেস্ক:
গরমের সময় মাথার তালুর আর্দ্রতা কমে যায়। এর ফলে মাথার ত্বক শুষ্ক ও খসখসে হয়ে যায়, যা চুলকানির অন্যতম কারণ। প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে এই চুলকানি দূর করা সম্ভব। জানতে চান উপাদানগুলো কী কী? তাহলে টাইমস অব ইন্ডিয়ার এই পরামর্শগুলো একবার দেখে নিতে পারেন।
নিয়মিত ঠান্ডা পানি দিয়ে মাথার তালু পরিষ্কার করুন
গরম পানি মাথার তালুর আর্দ্রতা শুষে নেয়। এর ফলে মাথার ত্বক রুক্ষ ও খসখসে হয়ে যায়, যা চুলকানি ও খুশকির প্রধান কারণ। তাই সব সময় ঠান্ডা পানি দিয়ে মাথা ও চুল ধোয়ার চেষ্টা করুন।
সঠিক ডায়েট করতে হবে
আপনি হয়তো চিকন হওয়ার জন্য ডায়েট করছেন। আর এই ডায়েটই আপনার চুলের ক্ষতি করছে। কারণ, অনেক ডায়েটই চুলের জন্য স্বাস্থ্যকর নয়। তাই সঠিক ডায়েট করা জরুরি, যা আপনাকে চিকন হতে সাহায্য করবে, আবার চুলকেও সুস্থ রাখবে। এ ক্ষেত্রে ভিটামিন এ, বি, সি ও আয়রন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। আর অবশ্যই পানি বেশি করে খাবেন। দুই থেকে তিন লিটার পানি প্রতিদিন খান, যা আপনার ত্বক ও চুল সুস্থ রাখবে।
লেবুর রস ব্যবহার করা
স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুলের জন্য লেবুর রস খুবই কার্যকর। তবে আপনাকে চুল অনুযায়ী সঠিক পরিমাণে লেবুর রস ব্যবহার করতে হবে। সামান্য লেবুর রস হাতের আঙুলে নিয়ে মাথার তালুতে ম্যাসাজ করুন। কিছুক্ষণ পর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। আপনি চাইলে টক দইয়ের সঙ্গেও লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারেন। এই মিশ্রণ মাথার তালুতে লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার চুল ধুয়ে ফেলুন। মনে রাখবেন, লেবুর রস সরাসরি ব্যবহারের থেকে এর সঙ্গে সামান্য পানি মিশিয়ে ব্যবহার করা ভালো।
আপেল সিডার ভিনেগার
মাথার তালুতে অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে আপেল সিডার ভিনেগার। সমান পরিমাণ আপেল সিডার ভিনেগার ও পানি মিশিয়ে তুলার বলে নিয়ে মাথার তালুতে লাগান। কিছুক্ষণ পর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। ভালো ফল পেতে সপ্তাহে অন্তত দুবার এই মিশ্রণ ব্যবহার করুন।
নারকেল তেল ব্যবহার করুন
মাথার তালুর আর্দ্রতা ধরে রাখে নারকেল তেল। নিয়মিত মাথার তালুতে নারকেল তেল দিয়ে ম্যাসাজ করুন। এতে চুলকানি দূর হবে এবং নতুন চুল গজাবে। শ্যাম্পু করার আগে মাথার তালুতে নারকেল তেল দিয়ে ১০ মিনিট ম্যাসাজ করুন। এবার আধা ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। এরপর শ্যাম্পু করে ফেলুন।
কমলার খোসা ত্বকের জন্য কতটা উপকারী?
অনলাইন ডেস্ক:
আবহাওয়া প্রতিনিয়তই পরিবর্তন হচ্ছে। কখনো বৃষ্টি তো কখনো কড়া রোদ। বাতাসে বেড়ে গেছে উষ্ণতা আর ধুলাবালি। আবহাওয়ার এই রূপান্তরের প্রভাব পড়েছে আমাদের শরীর ও ত্বকে। ত্বকে পোড়া ভাব, ব্রণ, ফুসকুড়ি—নানা সমস্যা বেড়ে যায় এ সময়ে। তাই প্রয়োজন বাড়তি যত্নের আর একটু সচেতনতা।
মনে রাখবেন, আপনার ত্বকের সৌন্দর্যের সঙ্গে সুস্থতার বিষয়টিও নির্ভর করে। তাই আজ আপনাদের জন্য থাকছে ইন্ডিয়া টুডে ম্যাগাজিনের লাইফস্টাইল বিভাগ থেকে প্রাকৃতিক উপাদানে আর ঘরোয়া পরিবেশে তৈরি চটজলদি কিছু রূপচর্চার টিপস, যা আপনার ত্বককে করবে আরো উজ্জ্বল ও সতেজ।
কমলার রস ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এর ভিটামিন সি ত্বকের বয়সের ছাপ দূর করে এবং তারুণ্য ধরে রাখে। কমলার রস দিয়ে খুব সহজেই তৈরি করা যায় এমন কয়েকটি ফেসপ্যাক বানানোর পরামর্শ নিচে দেওয়া হলো, যা ত্বকের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে বেশ কার্যকর।
পদ্ধতি-১
যা যা লাগবে
এক টেবিল চামচ কমলার খোসা গুঁড়া ও দুই টেবিল চামচ টক দই।
যেভাবে ব্যবহার করবেন
প্রথমে কমলার খোসাগুলো ভালোভাবে পানিতে ধুয়ে নিন। একটি ট্রেতে খোসাগুলো ছড়িয়ে কড়া রোদে এক থেকে দুদিন শুকিয়ে নিন। তারপর ব্লেন্ডারের সাহায্যে গুঁড়ি করে তা বাতাস ঢোকে না এমন কৌটায় রেখে দিন। দীর্ঘদিন এভাবে রেখে আপনি ব্যবহার করতে পারবেন। এবার এক টেবিল চামচ কমলা খোসার গুঁড়ার সঙ্গে দুই টেবিল চামচ টক দই ভালোভাবে মেশান। তার পর পুরো মুখে মিশ্রণটি লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। খুব অল্প সময়েই আপনার ত্বক পরিষ্কার ও সতেজ হয়ে যাবে। এই প্যাক যেকোনো বিয়ের অনুষ্ঠান বা পার্টিতে যাওয়ার আগে ব্যবহার করতে পারেন।
পদ্ধতি-২
যা যা লাগবে
এক টেবিল চামচ কমলার খোসা গুঁড়া, এক চিমটি হলুদের গুঁড়া ও এক টেবিল চামচ মধু।
যেভাবে ব্যবহার করবেন
নিয়মিত ব্যবহারে এই প্যাক ত্বকের কঠিন তামাটে ভাব দূর করতে বেশ সাহায্য করে। কমলার খোসা গুঁড়া, হলুদ আর মধু তিনটি উপাদান ভালোভাবে মিশিয়ে একটি প্যাক বানান। মুখে লাগিয়ে ৫ থেকে ১০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি বা গোলাপজল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। যদি আপনার ত্বকে ব্রণ বা অন্য সমস্যা থাকে, তাহলে যেকোনো প্যাক ব্যবহার করতে সাবধানতা অবলম্বন করুন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন।
পদ্ধতি-৩
যা যা লাগবে
এক টেবিল চামচ কমলা খোসার গুঁড়া, এক টেবিল চামচ মুলতানি মাটি ও প্রয়োজনমোত গোলাপজল।
যেভাবে ব্যবহার করবেন
এই প্যাক তৈলাক্ত ত্বকের জন্য বেশ কার্যকর। কমলার খোসার গুঁড়া ও মুলতানি মাটির সঙ্গে গোলাপজল মিশিয়ে মিশ্রণটি তৈরি করুন। পুরো মুখ, গলা ও ঘাড়ের দিকে লাগান এবং হালকা শুকানো পর্যন্ত রাখুন। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্যাকটি গভীর থেকে ত্বককে পরিষ্কার করে আর ব্ল্যাক ও হোয়াইট হেডস দূর করতে সাহায্য করবে।
পেটে গ্যাসের সমস্যা? সহজ সমাধান জেনে নিন
অনলাইন ডেস্ক:
কিছু খাবারের কারণে পেট অতিরিক্ত পূর্ণ বলে মনে হতে পারে। এ অবস্থার জন্য দায়ী হতে পারে বাড়তি লবণ গ্রহণ, অস্বাস্থ্যকার খাবার খাওয়া, দেহের হরমোনজনিত পরিবর্তন ও পেটের বিভিন্ন সমস্যা। অনেকেরই গ্রীষ্মে অতিরিক্ত তাপ ও আর্দ্রতায় মৌসুমী সমস্যা হিসেবে এটি দেখা যায়। আর তাই এ সমস্যা হলে বাড়তি লবণ, প্রক্রিয়াজাত ও অস্বাস্থ্যকর খাবার খেতে নিষেধ করেন বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি কয়েকটি খাবার এ সমস্যা দূর করতে পারে।
যে খাবারগুলো খাবেন
১. দই
দইতে রয়েছে পেটের জন্য উপকারি প্রচুর ব্যাকটেরিয়া। এটি হজমে সহায়তা করে এবং পেটের গ্যাস সমস্যা দূর করে পেট ফোলা কমায়। এছাড়া এটি প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন বি১২ যোগায়।
২. তরমুজ
তরমুজে রয়েছে উচ্চমাত্রায় পটাসিয়াম, যা পেটের গ্যাস সমস্যার সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
৩. ফুটি
মৌসুমী ফল ফুটিতে রয়েছে পটামিয়াম ও প্রচুর পরিমাণে পানি। শুধু পেটের গ্যাসের সমস্যাই নয়, দেহও ঠাণ্ডা রাখতে সহায়তা করে এ ফলটি।
৪. শশা
শশাতে প্রচুর জলীয় অংশ রয়েছে। এটি পেটের গ্যাস সমস্যা সমাধানে যেমন কার্যকর তেমন তা আপনার দেহের ওজন কমাতে ও দেহ থেকে বিষাক্ত পদার্থ নিষ্কাশনেও পারদর্শী।
৫. ডাবের পানি
ডাবের পানিতে শুধু প্রচুর পুষ্টিকর উপাদানই নেই, এটি পেটের সমস্যা দূর করতেও কার্যকর। বিশেষ করে পেটে গ্যাসের সমস্যা দূর করতে পারে এটি।
৬. কলা
কলাতে রয়েছে প্রচুর পটাসিয়াম, যা দেহের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এছাড়া এটি পেটের বাড়তি গ্যাস দূর করতেও কার্যকর।
৭. সবুজ সবজি
নানা ধরনের সবুজ সবজিতে রয়েছে পেটের গ্যাস দূর করার উপাদান। বিশেষ করে সবজিতে থাকা আঁশ পেটের এ সমস্যা স্থায়ীভাবে দূর করতে কার্যকর হতে পারে।
৮. ডাল
ডাল পেটের গ্যাস সমস্যা লাঘবে সহায়তা করে। ডালে রয়েছে প্রচুর আঁশ। এছাড়া এর প্রোটিন ও কমপ্লেক্স কার্বহাইড্রেট আপনার পেটে হজম করার শক্তি বাড়াবে।
কিডনির সমস্যার পাঁচ লক্ষণ
অনলাইন ডেস্ক:
শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের মধ্যে কিডনি অন্যতম। কিডনির রোগ সম্পূর্ণ শরীরকে নাজুক করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।
কিছু উপসর্গ রয়েছে যেগুলো দেখলে বোঝা যায় কিডনির রোগ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট টাইম ফর ন্যাচারাল জানিয়েছে এসব লক্ষণের কথা।
কোমর ব্যথা
সঠিকভাবে অঙ্গ বিন্যাসের অভাবে কোমর ব্যথা হয়। তবে কিডনির ক্ষতির কারণেও কিন্তু অনেক সময় কোমর ব্যথা হয়। এটি একটি প্রাথমিক লক্ষণ কিডনি রোগের। তাই কোমর ব্যথায় অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
শুষ্কতা ও চুলকানি
কিডনি শরীরের বিষাক্ত পদার্থগুলোকে দূর করে দিতে ছাঁকনি হিসেবে কাজ করে। কিডনি ভালোভাবে কাজ না করলে দূষিত পদার্থগুলো রক্তের মধ্যে বাড়তে থাকে। এতে ত্বকের ভেতর চুলকানি, শুষ্কতা ও র্যাশের মতো সমস্যা হয়। ত্বকের অন্যান্য সমস্যার ক্ষেত্রে বিষয়গুলো হলেও কিডনির সমস্যার ক্ষেত্রে এসব বিষয়গুলো হয়।
প্রস্রাবের ধরনের পরিবর্তন
কিডনির সমস্যা হলে প্রস্রাবের ধরনের পরিবর্তন হয়। প্রস্রাব অনেক সময় ফেনাযুক্ত হয়, সাধারণ অব্স্থার তুলনায় অনেক বেশি হয়, প্রস্রাবের রং গাঢ় হয়, অনেক সময় প্রস্রাব করতে অসুবিধা বোধ হয়, প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যায়। এসব সমস্যা দেখলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
দীর্ঘমেয়াদি দুর্বলতা ও অবসন্নতা
কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আরেকটি লক্ষণ হলো দীর্ঘমেয়াদি দুর্বলতা ও অবসন্নতা। কিডনির সমস্যা হলে কোষে অক্সিজেন পরিবহনে সমস্যা হয়। এতে শরীর দুর্বল ও অবসন্ন লাগে।
শরীর ফুলে যাওয়া
কিডনি ভালোভাবে কাজ না করলে শরীরে তরল (ফ্লুইড) জমে। এতে মুখ, পা, পায়ের পাতা, হাঁটু ইত্যাদি অংশে পানি এসে ফুলে যায়। যদি শরীর ফোলার এ রকম সমস্যা দেখা যায় তাহলে অবহেলা করবেন না।
Monday, May 30, 2016
লেজার হেয়ার ট্রিটমেন্টে কি ক্যান্সারের সম্ভাবনা বাড়ে?
অনলাইন ডেস্ক:
লেজারের মাধ্যমে এখন হেয়ার রিমুভ্যালসহ নানা ধরনের চিকিৎসা করা হয়। কিন্তু এগুলোতে ক্যান্সারের সম্ভাবনা বাড়ে কি না তা নিয়ে অনেকের মাঝেই প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। বাস্তবে কি লেজার হেয়ার ট্রিটমেন্টে ক্যান্সারের সম্ভাবনা বাড়ে? এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ।
লেজার হেয়ার ট্রিটমেন্ট নিয়ে চিকিৎসকের কাছে একজন প্রশ্ন করেন, আমি লেজার হেয়ার রিমুভালের মাধ্যমে বাড়তি চুল ও পশম দূর করার চিন্তাভাবনা করছি। এতে কি ক্যান্সারের সম্ভাবনা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে?
লেজার চিকিৎসা বিষয়ে তার প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন মার্কিন ডার্মাটোলজিস্ট ড. হুইটনি বোউই।
তিনি জানান, লেজারের রশ্মি ক্যান্সার উদ্ভবের মতো যথেষ্ট শক্তিশালী নয়। তাই এর মাধ্যমে ত্বকে ক্যান্সারের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। অবশ্য এর প্রভাবে ত্বকে সামান্য প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে, যা চিকিৎসার মাধ্যমে সারিয়ে তোলা যায়।
তিনি বলেন, ক্যান্সারের জন্য এক্সরে ও গামা রশ্মির বিকিরণ সবচেয়ে বিপজ্জনক। এগুলো নানা চিকিৎসাক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হয়। আয়োনাইজড রেডিয়েশন দেহে প্রবেশ করে ডিএনএ সেল ধ্বংস করে এবং ক্যান্সারের কারণ হয়। তবে এ ঝুঁকি বিবেচনায় যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (এফডিএ) লেজার এনার্জিকে নন আয়োনাইজিং রেডিয়েশনের উৎস হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
লেজার থেকে হালকা এনার্জি বিচ্ছুরিত হয় হয়, যা ত্বক পর্যন্তই থেকে যায়। আর এ কারণে তা ডিএনএ ধ্বংস করার পর্যায়ে পৌঁছায় না। লেজার হেয়ার রিমুভ্যালে মূলত লেজার রশ্মি ব্যবহার করে চুলের গোড়াগুলোতে তাপ দেওয়া হয়। এতে চুলের মূল নষ্ট হয়।
অনেক নারীই তাদের এ লেজার হেয়ার রিমুভ্যালে ক্যান্সারের ঝুঁকির আশঙ্কা করেন এবং এ কারণে সংবেদনশীল অঙ্গের আশপাশে লেজার হেয়ার রিমুভ্যাল থেকে বিরত থাকেন। যদিও এর বাড়তি কোনো ঝুঁকি পাওয়া যায়নি। হালকা লেজার ব্যবহৃত হওয়ায় এতে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে না বলেই জানা গেছে।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নয় বরং দেহের ত্বক ও ত্বকসংলগ্ন অংশেই এ লেজারের কার্যকারিতা থাকে।
ক্যান্সারের ঝুঁকি না বাড়লেও ত্বকের ওপর এর কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়। এসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মাঝে রয়েছে ত্বক লাল হয়ে যাওয়া, ত্বকে দাগ হওয়া ও ত্বকের রং বদলে যাওয়া। এসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার উপযুক্ত চিকিৎসাও রয়েছে, যা খুব সহজেই পাওয়া যায়।
শিশুর আঙুল চোষা নিয়ে চিন্তিত?
অনলাইন ডেস্ক:
আঙুল চোষা প্রায় সব শিশুর ক্ষেত্রেই একটি সাধারণ অভ্যাস। শিশু আঙুল চুষলে বাবা-মা অনেক সময় চিন্তিত হয়ে পড়েন, ভাবেন- বুঝি অভ্যাসটা তার চিরজীবন থেকেই যায়। অনেক শিশু অনেক বড় হয়েও আঙুল চোষে। যেমন রাজীব নামে একটি ছেলে, তার বয়স যখন ১১ বছর তখনো সে বুড়ো আঙুল চুষত। সব সময় না, স্কুল বা বন্ধুদের বাড়িতে বেড়াতে গেলেও না।
যখন সে বাসায় রেফ্রিজারেটরের মধ্যে কী আছে তা নিয়ে ভাবত কিংবা টেলিভিশন দেখত- তখন তার বুড়ো আঙুল মুখের দিকে উঠে আসত। আর রাতে ঘুমিয়ে পড়ার পর আঙুলটা মুখের মধ্যেই থাকত। তার মা ব্যাপারটি লক্ষ করতেন, কিন্তু বলতেন না কিছু। তিনি একদিন লক্ষ করলেন রাজীব আঙুল চোষার ব্যাপারে নিরুৎসাহ হয়ে পড়েছে, তখন রীতিমতো কলেজে যাওয়া শুরু করেছে সে। আসলে এ সিদ্ধান্তটা রাজীবের মধ্যে আপনাআপনি গড়ে উঠেছে। বাবা-মাকে কিছু বলতে হয়নি। নিজ থেকেই আঙুল চোষা বন্ধ করে দিয়েছে সে।
বিশেষজ্ঞরা এ ব্যাপারে একমত যে, কখনো কখনো আঙুল চোষা শিশুর জন্য আদৌ সমস্যার ব্যাপার নয়। ডেনভারের ক্লিনিকল সাইকোলজিস্ট সুসান হেইটলার বলেন, এটা নিরাপত্তাহীনতা বা সংশয়াপন্নের চিহ্ন নয়- এটা শিশুর সাধারণ একটা অভ্যাস। যদি শিশু বিক্ষুব্ধ বা উত্তেজিত হয় তাহলে এটা তাকে শান্ত করে। আর যদি সে একঘেয়েমিজনিত ক্লান্ত হয়, তাহলে এটা তাকে উদ্দীপ্ত করে।
শিশুর বয়স যদি পাঁচ বছরের কম হয়, তাহলে ভালো উপায় হলো এটাকে উপেক্ষা করা। শিশু যদি শুধু মাঝেমধ্যে আঙুল চোষে এবং এটা তার দাঁত বা আঙুলের জন্য ক্ষতিকর না হয়, তাহলে কিছুই করার দরকার নেই। এ তথ্যটি জানাচ্ছেন পেডিয়াট্রিক ডেনটিস্ট্রির অধ্যাপক ডা. স্টিফেন জোয়েপফ্রেড।
শিশু যদি পাঁচ বছরের পরও প্রবলভাবে আঙুল চুষতে থাকে তাহলে সমস্যা হতে পারে। এ ক্ষেত্রে শিশুর দাঁত উঁচু হওয়ার ঝুঁকি থাকে, ক্রমাগত আঙুল চোষার ফলে আঙুলের গঠনে অস্বাভাবিকতা দেখা দিতে পারে এবং নখের নিচে ছত্রাক সংক্রমণ হতে পারে।
স্কুল বা প্রিস্কুল শিশুরা ঘন ঘন আঙুল চুষলে সামাজিক বিড়ম্বনার সম্মুখীন হতে পারে। স্কুলে শিশু যদি আঙুল চুষতে থাকে, তাহলে তার সহপাঠীরা এটা নিয়ে মজা ও ঠাট্টা করবে। তাই আপনার স্কুলে কাছাকাছি বয়সী ছেলেমেয়ের যদি এখনো আঙুল চোষার অভ্যাস থাকে, তাহলে আপনি কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ নিতে পারেন।
ক্রমাগত খুঁত ধরবেন না
আপনার শিশুর বয়স যা-ই হোক না কেন, তার অভ্যাসের ব্যাপারে তাকে তিরস্কার করবেন না। যদি আপনার শিশুকে তার আঙ্গুল চোষা নিয়ে তিরস্কার করে থাকেন, তাহলে এখনই সেটা বন্ধ করুন। শিশুর মুখ থেকে আঙুল টেনে বের করার চেষ্টা করবেন না। একসময় শিশু নিজ থেকেই আঙুল চোষা বন্ধ করে দেবে।
শিশুর সংকেত বোঝার চেষ্টা করুন
আপনি যদি আপনার শিশুকে আঙুল চোষা থেকে শান্তভাবে বিরত রাখতে চান তাহলে কখন কেন সে আঙুল চুষছে সে ব্যাপারটা লক্ষ করুন। যদি আপনার শিশু আপনা আপনি আঙুল চুষতে থাকে তাহলে বুঝতে হবে সে ক্লান্ত, ক্ষুধার্ত কিংবা বিরক্ত হয়ে পড়েছে আর তাই সে নিজের আঙুল চুষে স্বস্তি ও আরাম পেতে চাইছে। যদি সে ক্লান্ত বা বিরক্ত বোধ করে, তাহলে আপনি তার হাতে খেলনা সামগ্রী অথবা বই তুলে দিন।
শিশুর মনোযোগ অন্য দিকে দিন
কখনো কখনো আঙুল চোষা ও কম্বল বা খেলনা ভালুক আঁকড়ে ধরে থাকার অভ্যাসটা একই সূত্রে গাঁথা। শিশুর শোয়ার ঘরে এগুলো রাখুন, তাহলে তার হাত ও আঙুল সবই ব্যস্ত থাকবে ওগুলো নিয়ে, ফলে সে ধীরে ধীরে আঙুল চোষার কথা ভুলে যাবে।
সময়ের হাতে ছেড়ে দিন
যদি আপনি বিশ্বাস করেন যে, সময় হলে আপনার শিশু ঠিকই আঙুল চোষার অভ্যাস ত্যাগ করবে, তাহলে অযথা তাকে আঙুল চোষা ত্যাগ করতে বাধ্য করবেন না। সাধারণভাবে একজন শিশু তিন মাস বয়স থেকে আঙুল চোষা শুরু করে এবং এ অভ্যাসটা প্রায় তিন, চার অথবা পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত থাকে।
শিশুকে কারণ দেখান
যদি আপনার শিশু কিন্ডারগার্টেনে যেতে শুরু করে এবং দেখেন যে তার আঙুল চোষা নিয়ে সহপাঠীরা মজা করছে, তখন আপনি স্বভাবতই চাইবেন যে আপনার শিশু আঙুল চোষা বন্ধ করুক। এ ক্ষেত্রে আপনি আপনার শিশুকে অন্য শিশুদের দেখাতে পারেন যারা আঙুল চোষে না। আপনি তাকে বলতে পারেন, আঙুলের চাপে তার দাঁতের ক্ষতি হবে। আপনার শিশুর চিকিৎসকও এটা তাকে বুঝিয়ে বলতে পারেন। শিশুর আঙুল চোষা ছাড়াতে এটা তাকে বোঝানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
তারিখ বেঁধে দিন
কখনো কখনো আপনি আপনার শিশুকে একটা নির্দিষ্ট তারিখ বেঁধে দিতে পারেন যে, এই তারিখ থেকে সে আর আঙুল চুষবে না। কিন্ডারগার্টেনে যাওয়ার শুরুতে তারিখটা বেঁধে দিলে ভালো হয়। এটা তার জীবনে একটা বিশেষ ঘটনা হয়ে থাকবে। আপনি তার আঙুল চোষা বন্ধ করার একটা তারিখ পছন্দ করুন, তারপর শিশুর সঙ্গে বসে এটা রঙিন ছক তৈরি করুন যেখানে থাকবে কোনো সময় বা দিনগুলোতে সে আঙুল না চুষেই থাকতে পারছে। এতে আপনার শিশুর মধ্যে আত্মনিয়ন্ত্রণের অনুভূতি জন্ম নেবে। ছক দেখে সে তার উন্নতি বুঝতে পারবে।
সাফল্যের জন্য পুরস্কার দিন
আপনার ছকের ব্যবস্থার সঙ্গে শিশুকে ছোটখাটো পুরস্কার দেওয়ারও ব্যবস্থা রাখুন। এতে সে পুরস্কার পাওয়ার আশায় আঙুল চোষার অভ্যাস ত্যাগ করতে চেষ্টা করবে।
যদি আপনার শিশু আঙুল চোষাবিহীন একটা দিন কাটাতে পারে, তাহলে তাকে একটা স্টার দিন। তাকে বলুন, আঙুল না চুষে এভাবে কতটা স্টার সে জমাতে পারে। স্টারের বদলে নতুন নতুন খেলনাও দিতে পারেন। এভাবে সে আঙুল চোষার অভ্যাস ছেড়ে দেবে।
শিশুকে আঁকা শেখান
মনোগ্রামযুক্ত ডট্ টু ডট্ গেম শুধু শিশুকে উৎসাহ জোগায় না, তার মধ্যে আত্মসংযমের অনুভূতি তৈরি করে। একটা ম্যাগাজিনের ছবি বের করে সেটার মতো শিশুকে আঁকতে বলুন। ছবির ওপরে একটা সাদা কাগজে বিছিয়ে ছবির বাইরের দাগ বরাবর বিন্দু টানতে বলুন। এটা শিশুর জন্য একটা সৃষ্টিশীল কাজ। যে সময়টাতে আঙুল চুষত সে সময়টা তার আঁকার মাধ্যমেই কেটে যাবে।
কৌশলে সতর্ক করুন
আপনার শিশু চেষ্টা করেও আঙুল চোষা ছাড়তে পারছে না। অনেক সময় সে বেখেয়ালে আঙুল মুখে পুরে বসে থাকে। এটা তার কখনো মনে থাকে না যে সে আঙুল মুখের মধ্যে রেখে দিয়েছে। এ ব্যাপারে তাকে সচেতন করতে হবে। আপনার শিশুর বুড়ো আঙুলে ছোট অ্যাডেসিভ টেপ পেঁচিয়ে লাগিয়ে রাখতে পারেন যাতে সে আঙুলটা মুখে পুরলেই এ ব্যাপারে সচেতন হয়। যদি এতেও কাজ না হয় তাহলে এই ব্যান্ডেজের ওপর সামান্য ভিনেগার লাগিয়ে রাখবেন। ভিনেগারের স্বাদ তাকে মনে করিয়ে দেবে, আঙুল চোষা ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।
স্বাস্থ্যগত ব্যবস্থা নিন
যদি আপনার শিশু ঘুমের মধ্যে আঙুল চোষে, এমনকি আঙুলে ব্যান্ডেজ নিয়েও চুষতে থাকে, তাহলে ঘুমের সময় তার হাতে গ্লাভস বা হাত মোজা পরিয়ে রাখুন।
বুড়ো আঙুলে ওষুধ লাগান
শিশুর আঙুল চোষা বন্ধ করতে তার হাতের বুড়ো আঙুলে তেতো ওষুধ লাগিয়ে রাখতে পারেন। বর্তমানে শিশুর জন্য নিরাপদ এমন ওষুধ পাওয়া যায়। এগুলোতে তেতো উপাদান থাকে এবং তা শিশুর স্বাদ নিরূপক কোষগ্রন্থিতে আঘাত করে। ফলে আঙুল মুখে নিলেই শিশু তেতো স্বাদ পায় ও পরে আর আঙুল মুখে নেয় না।
তবে আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে যে শিশু এটাকে শাস্তি ভাবছে না। শিশুকে বলুন এখানে কিছু ওষুধ আছে যা সে ভুলে আঙুল মুখে পুরলে তাকে সতর্ক করে দেবে।
মনে রাখতে হবে আঙুল চোষা কোনো অসুখ নয়। এটা শিশুদের এক ধরনের আরামদায়ক অভ্যাস। তাই এ নিয়ে বাবা-মায়ের দুশ্চিন্তা না করাই ভালো। শিশু আঙুল চুষলে জোর করে ছাড়ানোর চেষ্টা করবেন না কিংবা বিকল্প হিসেবে কোনো চুষি কাঠি শিশুকে দেবেন না, তাতে ক্ষতি হতে পারে।
TOP-LEFT ADS
INNER POST ADS
INNER POST ADS 2
/fa-clock-o/ WEEK TRENDING$type=list
-
অনলাইন ডেস্ক: প্রতি মাসেই শারীরিক স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় যন্ত্রণার মুখোমুখি হন বহু নারী। কিন্তু মাসিকের এ যন্ত্রণা লাঘব করার কিছু উপায় রয়েছে। ...
-
অনলাইন ডেস্ক: আঙুল চোষা প্রায় সব শিশুর ক্ষেত্রেই একটি সাধারণ অভ্যাস। শিশু আঙুল চুষলে বাবা-মা অনেক সময় চিন্তিত হয়ে পড়েন, ভাবেন- বুঝি অভ্যাসটা...
-
অনলাইন ডেস্ক: অসুস্থ করে দেওয়ার জন্য খুব ছোট ছোট জিনিসই যথেষ্ট। বিশেষ করে ত্বক ও চুলের খুব ছোট বিষয়ই অসুস্থ করে তুলতে পারে। তাই সামান্য মনে ...
-
পাইলস বা হেমোরয়েড খুব পরিচিত একটি রোগ। প্রায় ঘরে এই রোগ হতে দেখা দেয়। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫% মানুষ এই রোগে ভুগে থাকেন। বিশেষত ৪৫ থেকে ৬৫ ...
-
অনলাইন ডেস্ক: বহুদিন আগে থেকে পুষ্টিবিদরা অনুভব করছিলেন, স্বল্প বয়স্করা যে খাবার খান, বয়স্কদেরও সে খাবার খেতে হবে, যদিও তা হবে কম ক্যালরিযুক...
-
অনলাইন ডেস্ক: শিশুর ত্বকের যত্নের ব্যাপারে মায়ের ভূমিকাই হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। মায়েরা যদি কিছু কিছু বিষয়ে সচেতন হন, তবে অনেক চর্মরোগই প্রতিরোধ ...
-
অনলাইন ডেস্ক: তৈলাক্ত ত্বকে অনেক দ্রুত ময়লা ও ধুলাবালি জমে। এর ফলে লোমকূপের মুখ বন্ধ হয়ে যায়। যা ব্রণের প্রধান কারণ। তাই এ ধরন...
-
অনলাইন ডেস্ক সুগন্ধি চন্দনের ঔষুধি হিসেবে যেমন ব্যবহৃত হয়, তেমনি রূপচর্চায়ও চন্দনের খ্যাতি রয়েছে। বিশেষ করে প্রাচীন কালে রূপচর্চার অন্যতম এ...
-
অনলাইন ডেস্ক: গরমের সময় মাথার তালুর আর্দ্রতা কমে যায়। এর ফলে মাথার ত্বক শুষ্ক ও খসখসে হয়ে যায়, যা চুলকানির অন্যতম কারণ। প্রাকৃতিক উপাদান ব্য...
-
অনলাইন ডেস্ক: লেজারের মাধ্যমে এখন হেয়ার রিমুভ্যালসহ নানা ধরনের চিকিৎসা করা হয়। কিন্তু এগুলোতে ক্যান্সারের সম্ভাবনা বাড়ে কি না তা নিয়ে অনেকের...
RECENT WITH THUMBS$type=blogging$m=0$cate=0$sn=0$rm=0$c=4$va=0
RECENT$type=list-tab$date=0$au=0$c=5
REPLIES$type=list-tab$com=0$c=4$src=recent-comments
RANDOM$type=list-tab$date=0$au=0$c=5$src=random-posts
/fa-fire/ YEAR POPULAR$type=one
-
অনলাইন ডেস্ক: প্রতি মাসেই শারীরিক স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় যন্ত্রণার মুখোমুখি হন বহু নারী। কিন্তু মাসিকের এ যন্ত্রণা লাঘব করার কিছু উপায় রয়েছে। ...
-
অনলাইন ডেস্ক: আঙুল চোষা প্রায় সব শিশুর ক্ষেত্রেই একটি সাধারণ অভ্যাস। শিশু আঙুল চুষলে বাবা-মা অনেক সময় চিন্তিত হয়ে পড়েন, ভাবেন- বুঝি অভ্যাসটা...
-
অনলাইন ডেস্ক: অসুস্থ করে দেওয়ার জন্য খুব ছোট ছোট জিনিসই যথেষ্ট। বিশেষ করে ত্বক ও চুলের খুব ছোট বিষয়ই অসুস্থ করে তুলতে পারে। তাই সামান্য মনে ...
-
পাইলস বা হেমোরয়েড খুব পরিচিত একটি রোগ। প্রায় ঘরে এই রোগ হতে দেখা দেয়। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫% মানুষ এই রোগে ভুগে থাকেন। বিশেষত ৪৫ থেকে ৬৫ ...
-
অনলাইন ডেস্ক: বহুদিন আগে থেকে পুষ্টিবিদরা অনুভব করছিলেন, স্বল্প বয়স্করা যে খাবার খান, বয়স্কদেরও সে খাবার খেতে হবে, যদিও তা হবে কম ক্যালরিযুক...
-
অনলাইন ডেস্ক: শিশুর ত্বকের যত্নের ব্যাপারে মায়ের ভূমিকাই হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। মায়েরা যদি কিছু কিছু বিষয়ে সচেতন হন, তবে অনেক চর্মরোগই প্রতিরোধ ...
-
অনলাইন ডেস্ক: তৈলাক্ত ত্বকে অনেক দ্রুত ময়লা ও ধুলাবালি জমে। এর ফলে লোমকূপের মুখ বন্ধ হয়ে যায়। যা ব্রণের প্রধান কারণ। তাই এ ধরন...
-
অনলাইন ডেস্ক সুগন্ধি চন্দনের ঔষুধি হিসেবে যেমন ব্যবহৃত হয়, তেমনি রূপচর্চায়ও চন্দনের খ্যাতি রয়েছে। বিশেষ করে প্রাচীন কালে রূপচর্চার অন্যতম এ...
-
অনলাইন ডেস্ক: গরমের সময় মাথার তালুর আর্দ্রতা কমে যায়। এর ফলে মাথার ত্বক শুষ্ক ও খসখসে হয়ে যায়, যা চুলকানির অন্যতম কারণ। প্রাকৃতিক উপাদান ব্য...
-
অনলাইন ডেস্ক: লেজারের মাধ্যমে এখন হেয়ার রিমুভ্যালসহ নানা ধরনের চিকিৎসা করা হয়। কিন্তু এগুলোতে ক্যান্সারের সম্ভাবনা বাড়ে কি না তা নিয়ে অনেকের...